করমচা

করমচা ছোট একটা ড্রামসহ এই করমচা গাছটা কিনেছিলাম পনেরশো টাকা দিয়ে, কিনার আগে অসংখ্যবার ভেবেছি পনেরশো টাকা দিয়ে কিনব না কিনব না। যেখানে আমি ৪০ /৫০ টাকা দিয়ে চারা কিনে অভ্যস্ত। এখন বছরে দুই বার যখন দেখি পুরা গাছ ভরে এই ফল ধরে আছে, তখন আর সেই টাকার কষ্ট একদমই থাকে না। এই ফলটা দিয়ে জেলি খুবই ভালো হয় তাতে কোনো বাড়তি জিলাটিন, পেকটিন ও কালার কোন কিছুই দিতে হয় না। এছাড়াও টক রান্না করতে পারেন কালোজিরা আর রসুন বাগার দিয়ে। তৈরি করতে পারেন ঝাল কোন জুস। কিন্তু শুধু কাঁচা ফলটা দিয়ে কোন জুস কখনোই ভালো লাগবে না।

আমার বাগান

এখানে পেয়ারা গাছ ছাড়া বাকি প্রায় সব গাছেই আমার হাতে লাগানো।প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় সব সবজি বা ফলের যোগান শুধুমাত্র ছাদ থেকে দেওয়া সম্ভব না ।

তবে ছাদ বা বারান্দা থেকে ছোট ছোট প্রয়োজনগুলো যেমন ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, পুদিনা পাতা, লেমন গ্রাস, এলোভেরা ও লেবুর প্রয়োজন অবশ্যই মিটানো সম্ভব শুধুমাত্র পানি দেওয়ার বিনিময়েই।

বিশ্বপরিবেশদিবস

WorldEnvironmentDay

জেলি

আগে একসাথে অনেকগুলি জেলি করার ধৈর্য ছিল কিন্তু ভালো ক্যামেরা ছিল না, এখন ভালো ক্যামেরা আছে কিন্তু আগের সেই ধৈর্য নাই 😊

জেলি করার সময় একটা কথা মনে রাখতে হবে, যেসব ফলে প্যাকটিনের পরিমান বেশি থাকে সে ফলের জেলি খুব সহজেই জমে যাবে।

জেলি জমবে না তখনই যদি সে ফলে প্যাকটিন না থাকে । আর প্যাকটিন না থাকলে আলাদা প্যাকটিন/চায়না গ্রাস বা আগার আগার দিয়ে জমাতে হবে।

তাই যারা নতুন জেলি তৈরি করছেন,তারা হাতের কাছেই এগুলো রাখুন,তারপর জেলি তৈরি শুরু করুন।

লেবু বা সাইট্রিক এসিড জেলিটা জমে যাবার পর নামিয়ে ফেলার সময় দিতে হবে । অনেক সময় লেবু বা সাইট্রিক এসিড প্যাকটিনকে জমতে দেয় না , তখনও জেলিটা জমবে না।

তাই প্রথম অবস্তায় লেবু বা সাইট্রিক এসিড না দিয়েই জেলি করুন। খুব বেশি পানি দিলে, বা জাল কম দিয়ে পানিটা বেশি থাকলেও অনেক সময় জেলিটা জমবে না।

তাই রেসিপি ঠিকমতো অনুসরণ করলে, জেলি না জমার কোন ভয় থাকবে না । আর রেসিপি জানতে অপেক্ষা করুন…….

1 2